নিম্নমুখী পেঁয়াজের দাম

প্রকাশিত: ১:০০ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১২, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীসহ সারা দেশে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। পেঁয়াজ রপ্তানিতে প্রতিবেশি দেশ ভারতের নিষেধাজ্ঞার খবরে কয়েকদিন ধরেই বাজারে পেঁয়াজের দাম চড়া।

তবে মঙ্গলবার রাজধানীর বাজারে কিছুটা কমে এসেছে পেঁয়াজের দাম। নতুন পেঁয়াজ বাজারে সরবরাহ বাড়ায় দাম কমছে বলে জানান বিক্রেতারা।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে পাইকারিতে প্রতি কেজি দেশি পুরাতন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা। গতকাল সোমবার যা ছিল ১৯০ টাকা। আমদানির পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজিতে। আর নতুন দেশি পেঁয়াজ মিলছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে।

চট্টগ্রামে পেঁয়াজের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বাজারে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে আড়তদারেরা।

খাতুনগঞ্জের মোহাম্মদীয়া বাণিজ্যালয়ের স্বত্ত্বাধিকারী জাফর উদ্দিন জানান, সরবরাহ বাড়ার পাশাপাশি বাজারে পেঁয়াজের চাহিদাও কমেছে। ফলে উল্টো লোকসানের মুখে পড়েছে অনেক ব্যাপারি। আজ খাতুনগঞ্জে চীনা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়৷ এছাড়া দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজ ৯০ থেকে ৯৫ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪৫ টাকা। সরবরাহ বাড়লে এই দাম আরও কমবে।

এদিকে বাজার নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান চলমান রয়েছে। গতকাল সারা দেশে ১২২ প্রতিষ্ঠানকে বাড়তি দাম নেওয়ার জন্য জরিমানা করে সংস্থাটি।

তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, কার্যকর তদারকির অভাবের সুযোগ নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা। শুধু সংকটের সময় নয়, সারা বছরই বাজার তদারকির দাবি তাদের।

পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় গত ২৯ অক্টোবর পেঁয়াজের বাড়তি রপ্তানি মূল্য নির্ধারণ করে ভারত। চলতি মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ দেওয়া হলেও তা আরও তিন মাসের জন্য বাড়ানো হয়। ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড জানায়, আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ থাকবে।

এ বিষয়ক আগের নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, বিশ্বের যেকোনো দেশেই পেঁয়াজ রপ্তানি করা যাবে। তবে প্রতি টন পেঁয়াজের ন্যূনতম মূল্য ৮০০ ডলার রাখতে হবে। পরিবহন ও বীমা খরচ এ দামের সাথে অন্তর্ভুক্ত নয় বলেও জানানো হয়।