ইসতিয়াক সুলতান রুবেল-এর ৩টি কবিতা

প্রকাশিত: ৯:০১ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২০, ২০১৯

তোমার মনে রঙ্গ

মনের সুখটা উজাড় করে
দাও না সবই ঢেলে
বন্ধ ঘরে মনের আবির
দেবে এবার খুলে।

রাজা হয়ে প্রজার নীড়ে
সুখের তরী বাইবে
বৈঠা তোমার সুখের নেশায়
আপন সুরে গাইবে।

তোমার সুরের পাল টা আমি
হাতে নিয়ে বসে
রঙিন সুতায় নাঠাই ধরে
টানবো আমি রসে।

ঘুড়ি উড়বে আকাশ প্রানে
দেখবে সবাই এসে
তুমি তোমার মনের সুখে
ভোজন নিবে কষে।

কষা কষি খোশ মেজাজে
তোমার সারা অঙ্গ
তখন তুমি নাঠাই ধরতে
দেবে আমায় সঙ্গ।

আমাদের দাবি

আদর করে মায়ে তারে
দিতে পারে না ভাত
ঝাপটি মেরে খোকা সোনা
ধরে মায়ের হাত।

খোকার মুখে হাসি এলে
জানতে চাইলো মা
লক্ষি সোনা বলনা আমায়
কি আছে তোর বায়না।

খোকা বলে বিচার হবে
বাকী ঘাতকদের
পালিয়ে থাকা একাত্তরের
খুনি রাজাকারের।

আর দেবনা থাকতে ওদের
পরবাসী ঘরে
ধরে এনে করবো বিচার
মায়ের বুকে তরে।

খোকার সাথে সবাই বলি
মায়ের দাবি আজ
পালিয়ে থাকা রাজাকারদের
ধরে এনে খতম করুন কাজ।

ছুটির দিনে

ছুটির দিনে বলছি আমি
মায়ের কাছে এসে
চলো না মা ঘুরে আসি
নানার বাড়ির দেশে।

নাগো মা, কি যে বলি
একটা দিনের জন্য কেনও
তার চেয়ে বলি শুনও
তুমি তো মা অনেক জানও।

বলো তবে আমায় এসে
আমি কেনও ঘরে বসে
ছুটি দেওয়াটা কি শুধু মিছে
উঠলো মায়ে মিষ্টি হেঁসে।

মায়ের হাসি দেখে আমি
দু’হাতে দিয়ে জড়িয়ে ধরি
মুষ্টিমুখে হেঁসে বলি
খেলতে আমি দেই পাড়ি।

মা হেসে বলে ওরে
খেলার তুই যাবি উড়ে
তবে যা দেখিস ওরে
সকল সকাল আসিছ ফিরে।